বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থী সাংবাদিক সামিয়া সরকার পেলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুদান বিএনপি নেতা সুলতান উদ্দিন মোল্লার মৃত্যুতে জাগপা’র কেন্দ্রীয় নেতা এনামুল হকের শোক বার্তা শিবপুরে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কিশোর গ্যাং: ওসি আফজাল হোসেন মাধবদীতে বিএসটিআই এর সার্ভিল্যান্স অভিযান বেগম জিয়াকে মান্নান ভূঁইয়ার কবরে মাফ চাইতে বলেছিলেন, আজ আপনারাই বড় নেতা : তোফাজ্জল হোসেন গরু চুরি করে বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীর ভূরিভোজের আয়োজন ভোটের আগের রাতেই ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর নেতৃত্বে তারা একজন নুরুল ইসলাম খানের কথা বলছি………… সাংবাদিক আলম খান নরসিংদী জেলা শিবপুর উপজেলায় জাকের পার্টির আজিমুশ্বান জলসা অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে কেবি ফুড প্রোডাক্টস’কে মোবাইল কোর্টে জরিমানা

সহকারী শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে সুযোগ দেয়া প্রশ্নে রুল

নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বিভিন্ন জেলার ২০ জন শিক্ষকের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি নাইমা হায়দার এবং বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেয়।
একই সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৩-এ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১০ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতার শর্ত নির্ধারণ কেন অবৈধ হবে না এবং দুই বছরের অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে বয়সসীমা শিথিল করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বিভিন্ন পদে পিটিশনার এবং অন্যান্য শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করার সুযোগ কেন দেয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন উচ্চ আদালত।
পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে পিটিশনারদের দাখিল করা আবেদন নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব, চেয়ারম্যান, বিপিএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ মোট ছয়জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।
আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, রিটকারীরা দেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। সম্প্রতি সরকার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৩ প্রণয়ন করেন, যেখানে প্রয়োজনীয় সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভিন্ন পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ রাখা হয়নি এবং সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার পদের জন্য আবেদনের সুযোগ রাখা হলেও সেখানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১০ (দশ) বছরের চাকরির অভিজ্ঞতার শর্ত দেওয়া হয়েছে। যেখান পূর্বে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেকোনো শিক্ষক ২ (দুই) বছর চাকরির অভিজ্ঞতা নিয়ে সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার পদের জন্য আবেদন করতে পারতেন এবং সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও রাজস্ব খাতে সৃষ্ট পদে কমপক্ষে ২ (দুই) বৎসর স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে চাকরিরত থাকার পর বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। রিটকারী শিক্ষকরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য আবেদন দাখিল করলেও বিবাদীরা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় রিটকারীরা এ রিট পিটিশন দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেয়।
রিটকারীরা হলেন মো. রেদওয়ান হাসান, মো. আবু তাহের, শাহজালাল, মোজাম্মেল হোসেন এবং দীনেশ চন্দ্র মন্ডলসহ বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ জন সহকারী শিক্ষক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
© All rights reserved © 2023 Narsingdinews24.com
ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট : উইন্সার বাংলাদেশ