শিবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ

images1.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নরসিংদী শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের পুরানদিয়া পূর্বপড়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ। ঘটনার বিবরণে জানা যায় পুরান্দিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল রাজ্জাক (তোতা মিয়া) ও আরমান মাষ্টারের এদের তিন বোনের ওয়ারিশির জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন দন্ত চলে আসছে। কয়েক দফা শালিশি দরবার করে ও সমাধান করতে পারেনি। পরে আরমান মাষ্টারের ছেলে মফিজুল (২৫) কিছু দিন আগে আঃ রহমানের ছবি দিয়ে ফেইসবুকে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ লিখে পোষ্ট করলে। আঃ রহমান শিবপুর মডেল থানায় মানহানীর মামলা করলে পুলিশ মফিজুল কে গ্রেফতার করে তার মোবাইল ফোন থেকে আলামত পাওয়া যায়। পরে তার বাবা ও স্থানীয় লোকজন মুসলেকা দিয়ে থানা থেকে নিয়ে আসে। তার মোবাইল ফোন এখনো এস আই আমিনুল ইসলাম এর কাছে আছে বলে জানা যায়।আব্দুর রহমান গনমাধ্যমের কর্মীদের জানান,আমার তিন ফুফুর ১০৮শতাংশ জমি আমার কাছে ও আমার চাচা আরমান মাষ্টারের কাছে পায়।আমার এক ফুফুর সমস্যা থাকার কারনে আমার ও আমার চাচার কাছে বিক্রি করতে চাইলে আমার চাচা না কেনায় আমার কাছে ২৫শতাংশ জমি বিক্রি করে,এবং আমার চাচার দখলে ৮৩শতাংশ জমি রয়ে যায়,এ নিয়ে সমাধানের কথা বললেও সমাধানে আসেনি আমার চাচা,পরে স্থানীয় লোকদের মাধ্যমে ১২ই ফেব্রুয়ারি বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় আমার বাড়িতে পারিবারিক সালিশি বসে,আমার চাচা আরমান মাষ্টার ও তার পরিবারের লোকজন আমার পরিবারের লোকজন বসে,সালিশিতে উপস্থিত থাকেন আবু সালেহ মাষ্টার, বাজনাব গ্রামের সদা মাষ্টার,ছিদ্দিক,নুরুল হক,সহ গন্যমান্য ব্যক্তি,সালিশির শেষ পর্যায়ে শুনা যায় আরমান মাষ্টারের ছেলে মফিজুল কে মারধর করেছে।পরে রুহুলের বাড়ির পাশে মফিজুল কে পাওয়া যায় তার পিছনে খোরের ক্ষত দেখা যায়,পরে আব্দুল আহাদ ও কয়েকজন তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়,এ বিষয়ে মফিজুলের বাবার কাছে গনমাধ্যমের কর্মীরা জানতে চাইলে তিনি জমি সংক্রান্ত বিরোধের কথা অস্বীকার করে এড়িয়ে যায়,তার ছেলের আঘাতের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার ছেলেকে কে বা কারা মেরেছে তা আমি জানিনা,তবে তাকে মেরে ফেলার জন্য এ কাজ করা হয়েছে, বলে রক্তমাখা জামা দেখান,আমি যা বলার দরকার আদালতে বলব,এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানান।

আমাকে শেয়ার করুন

PinIt
scroll to top