ওরা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল ————– সিরাজুল ইসলাম মোল্লা

73096722_582487732556622_2844430679771447296_n.jpg

শিবপুর সংবাদদাতাঃ নরসিংদী-৩ শিবপুর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেছেন, গত ৩০ ডিসেম্বের ২০১৮ একাদশ জাতীয় সংসদ র্নিবাচনের দিন আমাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। আল্লাহর রহমতে জনগনের দোয়ায় সে দিন আমি বেঁচে আছি। আপনারা জানেন আমি স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ছিলান। নির্বাচনের দিন বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রের খবরা খবর নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। হঠাৎ খবর পাই জহিরুল হক ভূঞা মোহন কুন্দারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে অবৈধভাবে সিল মেরে ভোট দিচ্ছেন।খবর পেয়ে আমি সেই কেন্দ্রে যাই। সেখানে যাওয়ার পর দেখি তিনি ভোট মেরে চলে গেছেন। অপর দিকে আজকে যারা মিলন হত্যার আসামী হয়েছেন তারাসহ প্রায় ৪০ থেকে ৫০জন লোক দা, ছুড়ি, লাঠিসোঠা নিয়ে অবস্থান করছে। আমি সেখানে উপস্হিত হতেই তারা আমার উপর আক্রমন করলে আমি কেন্দ্রের একটি কক্ষে গিয়ে নিজকে রক্ষা করি। তাদের উদ্দেশ্য ছিল আমাকে হত্যা করার। আমি বিষয়টি তাৎক্ষনিক এসপি, ওসিকে অবহিত করি। পরবর্তীতে লোকজনের সহায়তায় আমি সেখান থেকে চলে আসি। আমি চলে আসার প্রায় ১ থেকে দেড় ঘন্টা পর খবর পাই সেখানে একটি হত্যাকান্ড ঘটেছে। নিহতের নাম মিলন মিয়া। আর এই হত্যা মামলার মিথ্যা আসামী করা হয় আমাকে ও আমার ভাইসহ আরো ৬ জনকে। বর্তমানে একাধিক সংস্হার তদন্তের পর আমরা নির্দোষ প্রমাণিত হই। ফলে আমাদেরকে মামলার আসামী থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তিনি আরো বলেন প্রকৃত পক্ষে এই হত্যার মধ্য দিয়ে কে লাভমান হয়েছে তা আপনারা জানেন। আমি আল্লাহকে হাজির নাজির করে বলতে পারি মিলন হত্যায় আমি কিংবা আমার ভাই জড়িত নই। আপনারা জানেন আমি বিগত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী এমপি নির্বাচিত হবার কিছুদিন পর পুটিয়ার ছাত্রলীগ নেতা মাহিন সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হয়। আর সেই মামলায় একাধিক লোক আমাকে বলেছিন তৎকালীন সাবেক এমপি মোহনকে, তার ভাই জুনুকে আসামী করতে। কিন্তু আমি বলেছি যারা প্রকৃত আসামী তারাই আসামী হবে। অহেতুক কাউকে হয়রানি করা যাবে না। তিনি ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে শিবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শোকরানা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য মাহবুব আলম মোল্লা তাজুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সামসুল আলম ভুঁইয়া রাখিল ও ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার এলিছ প্রমুখ।

আমাকে শেয়ার করুন

PinIt

Leave a Reply

scroll to top